(ম্রৃণাল মজুমদার)
কেহ বাস্তব বাদী নন। স্থান কাল পাত্র ভেদে ,অবস্থা বুঝে কোনো নীতি র চালূ করতে হয়, ব্যবস্থা নিতে হয়। বিদেশের নীতি,মুখস্ত বিদ্যা ১:১ সব সমাজে কার্যকরী নয়। যে সমাজে যখন বামপন্থার জন্ম হয়, আর আমাদের ৪০ বছর পূর্বের সময় আজ নয়। এটা ইন্ডিয়ান বামপন্থী রা বোঝেনি বলেই আজ জাদুঘরে থাকার উপক্রম হয়েছে। হাজার হাজার বছরের ধর্ম বোধ থেকে মানুষকে আলাদা করতে হলে আমি যা করতাম:
০১. মানুষকে সঠিক ভাবে ভাবতে পারার মতো শিক্ষা দিতাম -৪০-৫০ বছর ধরে
০২. মৌলিক চাহিদা পূরণ করার ব্যবস্থা করতাম
০৩.সবার জন্য কাজের ব্যবস্থা করতাম
০৪.ধর্মের সঠিক ব্যাখ্যা করতাম( যেমন কেন সূর্য্য প্রমান করে দুধ খায়- এর পিছনে বিজ্ঞান আছে, মানুষ জানেনা) , বর্তমান সময়ে তার রূপ কেমন হওয়া উচিত বলতাম
০৫. জন্ম হার কমাতাম
০৬.আর্থিক উন্নতির ব্যবস্থা করতাম
মানুষের আর্থিক সামাজিক চিন্তার উন্নতি হলেই বিজ্ঞান চর্চার দিকে বা সমাজ চেতনার দিকে ঝোক বাড়ে - সমাজ পজিটিভ ভাবে পরিবর্তিত হয়
কেহ বাস্তব বাদী নন। স্থান কাল পাত্র ভেদে ,অবস্থা বুঝে কোনো নীতি র চালূ করতে হয়, ব্যবস্থা নিতে হয়। বিদেশের নীতি,মুখস্ত বিদ্যা ১:১ সব সমাজে কার্যকরী নয়। যে সমাজে যখন বামপন্থার জন্ম হয়, আর আমাদের ৪০ বছর পূর্বের সময় আজ নয়। এটা ইন্ডিয়ান বামপন্থী রা বোঝেনি বলেই আজ জাদুঘরে থাকার উপক্রম হয়েছে। হাজার হাজার বছরের ধর্ম বোধ থেকে মানুষকে আলাদা করতে হলে আমি যা করতাম:
০১. মানুষকে সঠিক ভাবে ভাবতে পারার মতো শিক্ষা দিতাম -৪০-৫০ বছর ধরে
০২. মৌলিক চাহিদা পূরণ করার ব্যবস্থা করতাম
০৩.সবার জন্য কাজের ব্যবস্থা করতাম
০৪.ধর্মের সঠিক ব্যাখ্যা করতাম( যেমন কেন সূর্য্য প্রমান করে দুধ খায়- এর পিছনে বিজ্ঞান আছে, মানুষ জানেনা) , বর্তমান সময়ে তার রূপ কেমন হওয়া উচিত বলতাম
০৫. জন্ম হার কমাতাম
০৬.আর্থিক উন্নতির ব্যবস্থা করতাম
মানুষের আর্থিক সামাজিক চিন্তার উন্নতি হলেই বিজ্ঞান চর্চার দিকে বা সমাজ চেতনার দিকে ঝোক বাড়ে - সমাজ পজিটিভ ভাবে পরিবর্তিত হয়
বাংলার বাঙাল বামপন্থী রা মাদ্রাসা শিক্ষার সুযোগ বাড়িয়ে ভোট বাড়াতে গিয়ে ,
হিন্দু দের কে হিন্দুত্ব পালন এর জন্য হীনমন্যতায় ফেলে, শো বিসনেস করা
আন্দোলন এর নামে ইন্ডাস্ট্রি তাড়িয়ে, মডার্ন টেকনোলজি র ব্যবহার এর সুযোগ
বন্ধ করে, সমাজ কে "আমরা- ওরা" তে ভাগ করে, মূর্খ দের , যাদের বাস্তব
জগতে কাজের কোনো জ্ঞান নেই , নেতা মন্ত্রী বানিয়ে,বাংলাকে ১২ টা বাজিয়েছে!
বাংলার মানুষ এদের অত্যাচারে এতই হাফিয়ে উঠেছিল যে একজন খুঁজছিলো, যে এদের কে মোকাবেলা করতে পারে! তার ফল এই মমতা, যে বাংলার কফিনে শেষ পেরেক টি পুঁতেছে! বামফ্রন্ট শিক্ষার সাথেও প্রথম দিকে বেইমানি করেছে, পার্টির কেডার দের প্রাইমারি মাস্টার, হাই স্কুল করে দিয়েছে- যাদের পড়বার যোগ্যতা নেই - দল এর স্বার্থে, বিসমিল্লায় গলদ হলে বা প্রাইমারি শিক্ষা দুর্বল হলে, জাতি আর কোনো দিন সঠিক ভাবে ভাবতে ও মাথা উঁচু করে বাঁচতে পারেনা! কাজ করে আনুগত্য অর্জন করতে হয়, ক্ষমতা দেখিয়ে ভয়ের আনুগত্য টেকেনা। মমতার দিন ও ফুরিয়ে আসছে! বাংলায় একদিন বামফ্রন্ট না করলে বা তার বিরোধিতা করলে, তার কোনো সরকারি সুবিধা পাবার সুযোগ ছিলোনা, সেদিন বলেছিলাম যে বামফ্রন্ট এর শেষ দিন চলে এসেছে, তৃণমূল আজ একই কাজ করছে। বামফ্রন্ট অন্যের দল ভাঙাতো না, তৃণমূল সবাইকে আপন করে নেয়, যাতে বিরোধিতা করার কেহ না থাকে। আর নেতারা বাস্তবাদী বলেই জানে, ইনকাম এর সুযোগ না থাকলে ও না দিতে পারলে, কেহ নেতা বলে মানবেনা! শান্তিপুর এর কংগ্রেস এর অজয় বাবু তৃণমূল এ যোগ দিলো, কিন্তু কংগ্রেস পার্টি অফিস কে নিজ্বের সম্পত্তি ভেবে তৃণমূল এর অফিস বানিয়ে দিলো, মানুষ মেনে নেয়নি, হারিয়েছে। তৃণমূল এর দিন শেষ! ভণ্ডামো দিয়ে বেশি দিন সম্মান পাওয়া যায়না!
আসলে বাংলার মানুষ সঠিক ভাবে ভাবতে পারেনা, জ্ঞান নেই বলেই আমি কোনো দল বা নেতা কে দায়ী না করে ভোটার ও মিডিয়া কে দায়ী করি. ইন্ডাস্ট্রি নেই বলে মিডিয়া ও রাজনীতির আনুগত্যে টিকে আছে, বিজ্ঞাপন ইনকাম নেই! তাই নিরপেক্ষ ভাবে কিছু লিখতে পারেনা! কাজেই দীর্ঘমেয়াদি একটা বিপ্লব না হলে বাংলার মানুষের হুশ আসবেনা! সরকারি ঋণ এতো বেশি ও জব এতই কম, বিজেপি কেন, বিল গেটস বাংলা কে দত্তক নিলেও কিছু করতে পারবেনা, কারণ মানুষের সঠিক নীতিবোধ, কর্ম সংস্কৃতি হারিয়ে গেছে। আর এ জন্য আসলে দায়ী বামফ্রন্ট! ৩৪ বছরে ২-৩ টা প্রজন্ম কে এরা শিখিয়ে গেছে, কিভাবে কাজ না করে, সরকারি দল কে তেল দিয়ে, দুর্নীতি করে কাজ উদ্ধার করতে হয়!
বাংলার বামপন্থী ও তৃণমূল এর উদার বাঙালি হিন্দু দের হিন্দুত্ব হিন্দু হিসাবে হীনমন্যতায় ভুগতে বাধ্য করার জন্যই একদিন বাঙালি হিন্দুত্ববাদী হবে, তাতে তাদের সমস্যার সমাধান হবে কিন্স সময় বলে দেবে, কারণ অতীতের শিক্ষায় শিক্ষিত সুবিধাবাদী বাঙালি রাই তো সেই সরকার চালাবে!
কর্মফল বংশ পরম্পরায়, রাজনীতি পরম্পরায় ভোগ করতেই হয়!
বাংলার মানুষ এদের অত্যাচারে এতই হাফিয়ে উঠেছিল যে একজন খুঁজছিলো, যে এদের কে মোকাবেলা করতে পারে! তার ফল এই মমতা, যে বাংলার কফিনে শেষ পেরেক টি পুঁতেছে! বামফ্রন্ট শিক্ষার সাথেও প্রথম দিকে বেইমানি করেছে, পার্টির কেডার দের প্রাইমারি মাস্টার, হাই স্কুল করে দিয়েছে- যাদের পড়বার যোগ্যতা নেই - দল এর স্বার্থে, বিসমিল্লায় গলদ হলে বা প্রাইমারি শিক্ষা দুর্বল হলে, জাতি আর কোনো দিন সঠিক ভাবে ভাবতে ও মাথা উঁচু করে বাঁচতে পারেনা! কাজ করে আনুগত্য অর্জন করতে হয়, ক্ষমতা দেখিয়ে ভয়ের আনুগত্য টেকেনা। মমতার দিন ও ফুরিয়ে আসছে! বাংলায় একদিন বামফ্রন্ট না করলে বা তার বিরোধিতা করলে, তার কোনো সরকারি সুবিধা পাবার সুযোগ ছিলোনা, সেদিন বলেছিলাম যে বামফ্রন্ট এর শেষ দিন চলে এসেছে, তৃণমূল আজ একই কাজ করছে। বামফ্রন্ট অন্যের দল ভাঙাতো না, তৃণমূল সবাইকে আপন করে নেয়, যাতে বিরোধিতা করার কেহ না থাকে। আর নেতারা বাস্তবাদী বলেই জানে, ইনকাম এর সুযোগ না থাকলে ও না দিতে পারলে, কেহ নেতা বলে মানবেনা! শান্তিপুর এর কংগ্রেস এর অজয় বাবু তৃণমূল এ যোগ দিলো, কিন্তু কংগ্রেস পার্টি অফিস কে নিজ্বের সম্পত্তি ভেবে তৃণমূল এর অফিস বানিয়ে দিলো, মানুষ মেনে নেয়নি, হারিয়েছে। তৃণমূল এর দিন শেষ! ভণ্ডামো দিয়ে বেশি দিন সম্মান পাওয়া যায়না!
আসলে বাংলার মানুষ সঠিক ভাবে ভাবতে পারেনা, জ্ঞান নেই বলেই আমি কোনো দল বা নেতা কে দায়ী না করে ভোটার ও মিডিয়া কে দায়ী করি. ইন্ডাস্ট্রি নেই বলে মিডিয়া ও রাজনীতির আনুগত্যে টিকে আছে, বিজ্ঞাপন ইনকাম নেই! তাই নিরপেক্ষ ভাবে কিছু লিখতে পারেনা! কাজেই দীর্ঘমেয়াদি একটা বিপ্লব না হলে বাংলার মানুষের হুশ আসবেনা! সরকারি ঋণ এতো বেশি ও জব এতই কম, বিজেপি কেন, বিল গেটস বাংলা কে দত্তক নিলেও কিছু করতে পারবেনা, কারণ মানুষের সঠিক নীতিবোধ, কর্ম সংস্কৃতি হারিয়ে গেছে। আর এ জন্য আসলে দায়ী বামফ্রন্ট! ৩৪ বছরে ২-৩ টা প্রজন্ম কে এরা শিখিয়ে গেছে, কিভাবে কাজ না করে, সরকারি দল কে তেল দিয়ে, দুর্নীতি করে কাজ উদ্ধার করতে হয়!
বাংলার বামপন্থী ও তৃণমূল এর উদার বাঙালি হিন্দু দের হিন্দুত্ব হিন্দু হিসাবে হীনমন্যতায় ভুগতে বাধ্য করার জন্যই একদিন বাঙালি হিন্দুত্ববাদী হবে, তাতে তাদের সমস্যার সমাধান হবে কিন্স সময় বলে দেবে, কারণ অতীতের শিক্ষায় শিক্ষিত সুবিধাবাদী বাঙালি রাই তো সেই সরকার চালাবে!
কর্মফল বংশ পরম্পরায়, রাজনীতি পরম্পরায় ভোগ করতেই হয়!
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন