(অনুসন্ধানী আবাহন)
২৫শে মার্চকে "জাতীয় গনহত্যা দিবস" হিসেবে ঘোষনা করার প্রস্তাব পাস হয়েছে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে। এবছরের ১১ মার্চ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস ঘোষণার ব্যাপারে জাসদের সাংসদ শিরীন আখতারের উত্থাপন করা প্রস্তাব পাস হয়। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে "অপারেশন সার্চলাইট" নাম দিয়ে সম্পুর্ণ সমরশক্তি নিয়ে পাকিস্তানী বাহিনী ঝাঁপিয়ে পড়েছিলো দেশব্যাপী নিরীহ মানুষের উপরে । আমেরিকান সাংবাদিক Robert Payne এর তথ্যানুসারে, শুধু ঐ রাতেই ৭০০০ এর মত হত্যা এবং অন্তত ৩০০০ গ্রেফতার হয়। কিন্তু আমরা আন্তর্জাতীক স্বীকৃতি এখনো পাইনি ৯ মাস ব্যাপী আমাদের উপরে চলা গণহত্যার।
২৫শে মার্চকে "জাতীয় গনহত্যা দিবস" হিসেবে ঘোষনা করার প্রস্তাব পাস হয়েছে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে। এবছরের ১১ মার্চ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস ঘোষণার ব্যাপারে জাসদের সাংসদ শিরীন আখতারের উত্থাপন করা প্রস্তাব পাস হয়। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে "অপারেশন সার্চলাইট" নাম দিয়ে সম্পুর্ণ সমরশক্তি নিয়ে পাকিস্তানী বাহিনী ঝাঁপিয়ে পড়েছিলো দেশব্যাপী নিরীহ মানুষের উপরে । আমেরিকান সাংবাদিক Robert Payne এর তথ্যানুসারে, শুধু ঐ রাতেই ৭০০০ এর মত হত্যা এবং অন্তত ৩০০০ গ্রেফতার হয়। কিন্তু আমরা আন্তর্জাতীক স্বীকৃতি এখনো পাইনি ৯ মাস ব্যাপী আমাদের উপরে চলা গণহত্যার।
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে শুরু হওয়া পাকিস্তানের এই নৃশংস সমরাভিযান
১৯৪৮ সালের জেনেভা গণহত্যা কনভেনশনের লঙ্ঘন। পাকিস্তান বাহিনীর সাথে তাদের
এদেশীয় দোসর রাজাকার-আলবদর-আল শামস মানবিক নীতি সংক্রান্ত হেগ কনভেনশন-৪,
১৯৬৯ সালের ১৬ ডিসেম্বর সাধারণ পরিষদের ৬০৩-ক(২৭)নং সিদ্ধান্তের সঙ্গে গঠিত
১৯২৫ সালের ১৭ জুন তারিখের খসড়া চুক্তি,১৯৪৯ সালের জেনেভা কনভেনশন,
ন্যুরেমবার্গ আইনের সনদ,১৯৬৮ সালে সাধারণ পরিষদে গৃহিত যুদ্ধাপরাধ ও
মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের নিষেধাজ্ঞা এবং সশস্ত্র সংঘাতকালে নিরস্ত্র
বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপত্তা বিধানের জন্য ১৯৭০ সালে সাধারণ পরিষদের গৃহিত
২৬৭৫(২৫), ২৬৭৬(২৫)ও ২৬৭৭(২৫) নং সিদ্ধান্ত লঙ্ঘন করেছে।
বাংলাদেশ ১৯৭১ সালের গনহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি এখনো পায় নি। কিন্তু এব্যাপারে এ বিষয়ে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শাহরিয়ার কবির বলেন, ‘গণহত্যা দিবস হিসেবে ৯ ডিসেম্বর আগে থেকেই পালিত হচ্ছে। বাংলাদেশও বিশ্বের ১৯৩টি দেশের সঙ্গে সেখানে স্বাক্ষর করেছে। সুতরাং দিনটি পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। আমরা পুরো নয় মাসেই যে গণহত্যা হয়েছিল, সেই স্বীকৃতি চাই।আমরা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে আবেদন জানিয়েছিলাম, ইউনেস্কোকেও চিঠি দিয়েছিলাম। জবাব হিসেবে আর্মেনিয়া থেকে আমাদের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, বাংলাদেশে কি ২৫শে মার্চ গণহত্যা দিবস হিসেবে পালন করা হয়? আমরা জানিয়েছিলাম, হয় না। পরে জবাব এল যে, যেটা বাংলাদেশ জাতীয়ভাবে পালন করে না সেটা আন্তর্জাতিকভাবে কেন জাতিসংঘকে পালন করতে হবে? সে কারণে আর্মেনিয়ার প্রস্তাব অনুযায়ী ৯ ডিসেম্বরে গণহত্যা দিবস হিসেবে পালন করার সিদ্ধান্ত হয় জাতিসংঘে’
এর উদ্যোগ হিসেবেই ১১ মার্চ জাতীয় সংসদে ২৫ মার্চকে গণহত্যা দিবস ঘোষণা করা এবং এ দিবসের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায়ের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের পক্ষে প্রস্তাবটি সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়েছে। বিষয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা দু’জন সিনিয়র কর্মকর্তাকে জাতিসংঘের সদর দফতর নিউ ইয়র্কে এবং জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশনের অফিস জেনেভায় পাঠিয়েছি। এ বিষয়ে আরও দু’জন কর্মকর্তাকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের স্বীকৃতি আদায়ের জন্য পাঠিয়েছি। তাদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য-উপাত্ত ও রিপোর্ট বিশ্লেষণ করে পরবর্তী কর্মপন্থা নির্ধারণ করবে সরকার। আমাদের কাছে কয়েকটি পথ খোলা আছে। আমরা জাতিসংঘে যেতে পারি অথবা মানবাধিকার কমিশনে বিষয়টি তুলতে পারি। এছাড়া নেদারল্যান্ডসে ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিসে আমরা বিষয়টি তুলতে পারি। তবে আন্তর্জাতিক আইনি সংস্থার সঙ্গে আলোচনা করে করণীয় ঠিক করা হবে।’
এক নজরে ১৯৭১ এর গনহত্যা https://en.wikipedia.org/wiki/1971_Bangladesh_genocide
বাংলাদেশ ১৯৭১ সালের গনহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি এখনো পায় নি। কিন্তু এব্যাপারে এ বিষয়ে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শাহরিয়ার কবির বলেন, ‘গণহত্যা দিবস হিসেবে ৯ ডিসেম্বর আগে থেকেই পালিত হচ্ছে। বাংলাদেশও বিশ্বের ১৯৩টি দেশের সঙ্গে সেখানে স্বাক্ষর করেছে। সুতরাং দিনটি পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। আমরা পুরো নয় মাসেই যে গণহত্যা হয়েছিল, সেই স্বীকৃতি চাই।আমরা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে আবেদন জানিয়েছিলাম, ইউনেস্কোকেও চিঠি দিয়েছিলাম। জবাব হিসেবে আর্মেনিয়া থেকে আমাদের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, বাংলাদেশে কি ২৫শে মার্চ গণহত্যা দিবস হিসেবে পালন করা হয়? আমরা জানিয়েছিলাম, হয় না। পরে জবাব এল যে, যেটা বাংলাদেশ জাতীয়ভাবে পালন করে না সেটা আন্তর্জাতিকভাবে কেন জাতিসংঘকে পালন করতে হবে? সে কারণে আর্মেনিয়ার প্রস্তাব অনুযায়ী ৯ ডিসেম্বরে গণহত্যা দিবস হিসেবে পালন করার সিদ্ধান্ত হয় জাতিসংঘে’
এর উদ্যোগ হিসেবেই ১১ মার্চ জাতীয় সংসদে ২৫ মার্চকে গণহত্যা দিবস ঘোষণা করা এবং এ দিবসের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায়ের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের পক্ষে প্রস্তাবটি সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়েছে। বিষয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা দু’জন সিনিয়র কর্মকর্তাকে জাতিসংঘের সদর দফতর নিউ ইয়র্কে এবং জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশনের অফিস জেনেভায় পাঠিয়েছি। এ বিষয়ে আরও দু’জন কর্মকর্তাকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের স্বীকৃতি আদায়ের জন্য পাঠিয়েছি। তাদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য-উপাত্ত ও রিপোর্ট বিশ্লেষণ করে পরবর্তী কর্মপন্থা নির্ধারণ করবে সরকার। আমাদের কাছে কয়েকটি পথ খোলা আছে। আমরা জাতিসংঘে যেতে পারি অথবা মানবাধিকার কমিশনে বিষয়টি তুলতে পারি। এছাড়া নেদারল্যান্ডসে ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিসে আমরা বিষয়টি তুলতে পারি। তবে আন্তর্জাতিক আইনি সংস্থার সঙ্গে আলোচনা করে করণীয় ঠিক করা হবে।’
এক নজরে ১৯৭১ এর গনহত্যা https://en.wikipedia.org/wiki/1971_Bangladesh_genocide
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন