(দেবজ্যোতি মিত্র)
পেথ্থমেই বলে রাখি এটা কিন্তু কোনো গো এষণামূলক লেখা নয়, মানে গো আমার হারায় নি, আজকাল দেখি দেশ জুড়ে গো কেলেঙ্কারি চলছে, তাই ভয় হয় কোনো গো মাতার সন্তানের কোপে না পড়ি, গো আমাদের মাতা মানা গেল, গো ধন তো বৈদিক যুগের মান্যতা প্রাপ্ত ধন, কিন্তু গো মাংস যে মাতার মাংস ভক্ষণের সমান, সেটা তো বৈদিক যুগের আর্যসন্তানেরা জানতো না, তারা তো বেশ গোরুর ঠ্যাঙ চিবুতে চিবুতে ইহলীলা সাঙ্গ করেছে, কিন্তু উত্তরপুরুষ হিসেবে এই গো সন্তানদের রেখে গেল কেন কে জানে?
হিন্দু বৈদিক ধর্ম মানা গেল, কিন্তু বেদ পরবর্তীতে বহুকাল পর্যন্ত হিন্দু নামক কোনো ধর্মের অস্তিত্ব পাওয়া যায় না কেন? এ প্রশ্ন আজকের হিন্দুত্ববাদীদের কাছে অপ্রাসঙ্গিক, আমি হিন্দু কথার উৎপত্তির বিতর্কে যাচ্ছি না, কিন্তু আজ যেগুলি হিন্দু ধর্মের প্রামাণ্য গ্ৰন্থ হিসেবে বলা হচ্ছে, সেগুলির কোনোটিতেই কি এই মহান ধর্মের কোনো নামোল্লেখ থাকবে না।
তাহলে হিন্দু কি ধর্ম না জাতি? রাক্ষস, অসুরদের উল্লেখ তো পৌরাণিক রচনার ছত্রে ছত্রে পাই, তাদের সঙ্গে যে দেবতারূপী আর্যসন্তানদের সম্পর্কটা রসেবশে ছিলো না এ ব্যাপারে কারো কোনো সন্দেহর অবকাশ নেই, মাঝে মাঝেই অসুরেরা পেঁদিয়ে দেবতাদের যে স্বর্গছাড়া করত, সেটাও আমরা জানি, সেই বিধর্মী অসুর রাক্ষসরা সব গেল কোথায়, কারণ বেদবর্ণিত ধর্মে তাদের ঠাঁই হবার কথা নয়, সামান্য কিছু উপজাতিভুক্ত মানুষ শুধু এই দেবভূমে বাস করত, এটাও বিশ্বাসযোগ্য তথ্য নয়, তাহলে এই যে তথাকথিত হিন্দু ধর্মের এত মানুষ এলো কোথা থেকে? কি মনে হচ্ছে এবার, হিন্দু বৈদিক ধর্ম, যেখানে বহিরাগত আর্যদের তুলনায়, অনার্যদের সংখ্যা বেশি।
তাহলে তো মাথায় একটা চিন্তাই আসছে, হিন্দু কোনো ধর্মের নাম হতে পারে না, কোনো এক নির্দিষ্ট অঞ্চলের মানুষদের হিন্দু বলা হতো, এটাও কোনো নতুন থিয়োরি নয়, বহুলোক বহুদিন ধরে এই কথা বলে যাচ্ছে, তবুও কেন এই হিন্দুত্ববাদ, কেন এই ধর্মীয় বিষবাষ্প উদগীরন, সেটা কি কেবল রাজশক্তি দখলের উদ্দেশ্যে নয়?
পেথ্থমেই বলে রাখি এটা কিন্তু কোনো গো এষণামূলক লেখা নয়, মানে গো আমার হারায় নি, আজকাল দেখি দেশ জুড়ে গো কেলেঙ্কারি চলছে, তাই ভয় হয় কোনো গো মাতার সন্তানের কোপে না পড়ি, গো আমাদের মাতা মানা গেল, গো ধন তো বৈদিক যুগের মান্যতা প্রাপ্ত ধন, কিন্তু গো মাংস যে মাতার মাংস ভক্ষণের সমান, সেটা তো বৈদিক যুগের আর্যসন্তানেরা জানতো না, তারা তো বেশ গোরুর ঠ্যাঙ চিবুতে চিবুতে ইহলীলা সাঙ্গ করেছে, কিন্তু উত্তরপুরুষ হিসেবে এই গো সন্তানদের রেখে গেল কেন কে জানে?
হিন্দু বৈদিক ধর্ম মানা গেল, কিন্তু বেদ পরবর্তীতে বহুকাল পর্যন্ত হিন্দু নামক কোনো ধর্মের অস্তিত্ব পাওয়া যায় না কেন? এ প্রশ্ন আজকের হিন্দুত্ববাদীদের কাছে অপ্রাসঙ্গিক, আমি হিন্দু কথার উৎপত্তির বিতর্কে যাচ্ছি না, কিন্তু আজ যেগুলি হিন্দু ধর্মের প্রামাণ্য গ্ৰন্থ হিসেবে বলা হচ্ছে, সেগুলির কোনোটিতেই কি এই মহান ধর্মের কোনো নামোল্লেখ থাকবে না।
তাহলে হিন্দু কি ধর্ম না জাতি? রাক্ষস, অসুরদের উল্লেখ তো পৌরাণিক রচনার ছত্রে ছত্রে পাই, তাদের সঙ্গে যে দেবতারূপী আর্যসন্তানদের সম্পর্কটা রসেবশে ছিলো না এ ব্যাপারে কারো কোনো সন্দেহর অবকাশ নেই, মাঝে মাঝেই অসুরেরা পেঁদিয়ে দেবতাদের যে স্বর্গছাড়া করত, সেটাও আমরা জানি, সেই বিধর্মী অসুর রাক্ষসরা সব গেল কোথায়, কারণ বেদবর্ণিত ধর্মে তাদের ঠাঁই হবার কথা নয়, সামান্য কিছু উপজাতিভুক্ত মানুষ শুধু এই দেবভূমে বাস করত, এটাও বিশ্বাসযোগ্য তথ্য নয়, তাহলে এই যে তথাকথিত হিন্দু ধর্মের এত মানুষ এলো কোথা থেকে? কি মনে হচ্ছে এবার, হিন্দু বৈদিক ধর্ম, যেখানে বহিরাগত আর্যদের তুলনায়, অনার্যদের সংখ্যা বেশি।
তাহলে তো মাথায় একটা চিন্তাই আসছে, হিন্দু কোনো ধর্মের নাম হতে পারে না, কোনো এক নির্দিষ্ট অঞ্চলের মানুষদের হিন্দু বলা হতো, এটাও কোনো নতুন থিয়োরি নয়, বহুলোক বহুদিন ধরে এই কথা বলে যাচ্ছে, তবুও কেন এই হিন্দুত্ববাদ, কেন এই ধর্মীয় বিষবাষ্প উদগীরন, সেটা কি কেবল রাজশক্তি দখলের উদ্দেশ্যে নয়?
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন