(দেবজ্যোতি মিত্র)
দিন কয়েক আগে, চারিদিকে এত নাস্তিকতার ছড়াছড়ি দেখে আমার মনে হলো, ধম্মেকম্মেতো আমার একদমই মতিগতি নেই, ঠাকুর দেওতাও আমার কাছে বিশেষ গুরুত্ব পায় না, তাহলে তো আমি হলাম গিয়ে চরম নাস্তিক। এই সিদ্ধান্তে আসার পর আমার মনে হলো, একবার নাস্তিকতাবাদের দর্শনটা উল্টেপাল্টে দেখি, সাংখ্য, লোকায়ত হয়ে বৌদ্ধ জৈন একটু ঘুরে নিয়ে চার্বাকের বস্তুবাদে ঢোকার ইচ্ছে ছিলো। চোখ বোলাতে বোলাতে হঠাৎ দেখি ঢুলে ঢুলে খাটের কাঠে মাথা ঠুকে যাচ্ছে, বুঝলাম নাস্তিক হওয়া আর এ জীবনে হলো না। বৌদ্ধ জৈনদের নাস্তিকতাবাদ ঈশ্বরে বিশ্বাস করে না, অথচ মহাপরিনির্বাণের চিন্তা করে, আবার পুনর্জন্মেও ওদের অগাধ আস্থা, কি জানি ঈশ্বর ছাড়া কি করে এ বিশ্বাস সম্ভব। নাস্তিক মানে ঈশ্বরের অস্তিত্বে যাদের আস্থা নেই, তার মানে নাস্তিকরা নিশ্চই, ঈশ্বরবোধের জন্য যথেষ্ট সচেষ্ট হওয়ার পর বিফল হয়ে নাস্তিক হয়েছেন, নাহলে তো বলতে হয় নাস্তিকতা অন্ধের হস্তিদর্শনের মতো ব্যাপার। আমি বিষয়টা জানলাম না বুঝলাম না, কোথাও কেউ বলছে তাই আমি নাস্তিক হয়ে গেলাম। স্বয়ং রবীন্দ্রনাথের মতো মানুষ বলেছেন,
"তাই তোমার আনন্দ আমার পর
তুমি তাই এসেছ নীচে।
আমায় নইলে ত্রিভুবনেশ্বর,
তোমার প্রেম হত যে মিছে।"
উপলব্ধিগতভাবে নিশ্চই উনি এই অধম লেখক বা যারা এই লেখাটি পড়ে সমালোচনার ঝড় তুলবেন তাঁদের থেকে অনেক উপরে বাস করতেন।
এবার আসি ধর্মবাদীদের কথায়, যাঁরা মনে করেন তাঁদের ধর্মই সেরা এবং এটাকে প্রমাণ করার জন্য তারা মানুষ খুন করতেও পিছপা হন না। মানুষ কি করে যে ঈশ্বরবোধের সঙ্গে ধর্মকে গুলিয়ে ফেলে এ ধরনের কাজে লিপ্ত হয় বুঝতে পারি না।
রবীন্দ্রনাথের ঈশ্বরবোধের সঙ্গে আপনারা কি কোনো ধর্মের গন্ধ পাচ্ছেন? উনি বর্ণনার অতীত ঈশ্বরকে সরাসরি বলেছেন, তুমি নীচে এসেছ আমার জন্য, আমিই যদি না থাকতাম তোমাকে পাত্তা দিতো কে? হ্যাঁ এটাই ঈশ্বরচেতনা, এটাই অন্তরের অন্তর থেকে যাঁরা উপলব্ধি করতে পারেন, তাঁদেরই ঈশ্বরলাভ হয়। এই বাক্যগুলোর আক্ষরিক অর্থ ধরে মূর্খামির পরিচয় দেবেন না নিশ্চই পাঠক। ধর্ম নয় আস্তিকতা নয় নাস্তিকতা নামক আত্মম্ভরিতা নয়, প্রকৃত ঈশ্বরচেতনা একমাত্র মানুষকে সঠিক রাস্তা দেখাতে পারে, আগামীর অশান্ত এই পৃথিবীর শান্তি প্রতিষ্ঠা করার জন্য।
দিন কয়েক আগে, চারিদিকে এত নাস্তিকতার ছড়াছড়ি দেখে আমার মনে হলো, ধম্মেকম্মেতো আমার একদমই মতিগতি নেই, ঠাকুর দেওতাও আমার কাছে বিশেষ গুরুত্ব পায় না, তাহলে তো আমি হলাম গিয়ে চরম নাস্তিক। এই সিদ্ধান্তে আসার পর আমার মনে হলো, একবার নাস্তিকতাবাদের দর্শনটা উল্টেপাল্টে দেখি, সাংখ্য, লোকায়ত হয়ে বৌদ্ধ জৈন একটু ঘুরে নিয়ে চার্বাকের বস্তুবাদে ঢোকার ইচ্ছে ছিলো। চোখ বোলাতে বোলাতে হঠাৎ দেখি ঢুলে ঢুলে খাটের কাঠে মাথা ঠুকে যাচ্ছে, বুঝলাম নাস্তিক হওয়া আর এ জীবনে হলো না। বৌদ্ধ জৈনদের নাস্তিকতাবাদ ঈশ্বরে বিশ্বাস করে না, অথচ মহাপরিনির্বাণের চিন্তা করে, আবার পুনর্জন্মেও ওদের অগাধ আস্থা, কি জানি ঈশ্বর ছাড়া কি করে এ বিশ্বাস সম্ভব। নাস্তিক মানে ঈশ্বরের অস্তিত্বে যাদের আস্থা নেই, তার মানে নাস্তিকরা নিশ্চই, ঈশ্বরবোধের জন্য যথেষ্ট সচেষ্ট হওয়ার পর বিফল হয়ে নাস্তিক হয়েছেন, নাহলে তো বলতে হয় নাস্তিকতা অন্ধের হস্তিদর্শনের মতো ব্যাপার। আমি বিষয়টা জানলাম না বুঝলাম না, কোথাও কেউ বলছে তাই আমি নাস্তিক হয়ে গেলাম। স্বয়ং রবীন্দ্রনাথের মতো মানুষ বলেছেন,
"তাই তোমার আনন্দ আমার পর
তুমি তাই এসেছ নীচে।
আমায় নইলে ত্রিভুবনেশ্বর,
তোমার প্রেম হত যে মিছে।"
উপলব্ধিগতভাবে নিশ্চই উনি এই অধম লেখক বা যারা এই লেখাটি পড়ে সমালোচনার ঝড় তুলবেন তাঁদের থেকে অনেক উপরে বাস করতেন।
এবার আসি ধর্মবাদীদের কথায়, যাঁরা মনে করেন তাঁদের ধর্মই সেরা এবং এটাকে প্রমাণ করার জন্য তারা মানুষ খুন করতেও পিছপা হন না। মানুষ কি করে যে ঈশ্বরবোধের সঙ্গে ধর্মকে গুলিয়ে ফেলে এ ধরনের কাজে লিপ্ত হয় বুঝতে পারি না।
রবীন্দ্রনাথের ঈশ্বরবোধের সঙ্গে আপনারা কি কোনো ধর্মের গন্ধ পাচ্ছেন? উনি বর্ণনার অতীত ঈশ্বরকে সরাসরি বলেছেন, তুমি নীচে এসেছ আমার জন্য, আমিই যদি না থাকতাম তোমাকে পাত্তা দিতো কে? হ্যাঁ এটাই ঈশ্বরচেতনা, এটাই অন্তরের অন্তর থেকে যাঁরা উপলব্ধি করতে পারেন, তাঁদেরই ঈশ্বরলাভ হয়। এই বাক্যগুলোর আক্ষরিক অর্থ ধরে মূর্খামির পরিচয় দেবেন না নিশ্চই পাঠক। ধর্ম নয় আস্তিকতা নয় নাস্তিকতা নামক আত্মম্ভরিতা নয়, প্রকৃত ঈশ্বরচেতনা একমাত্র মানুষকে সঠিক রাস্তা দেখাতে পারে, আগামীর অশান্ত এই পৃথিবীর শান্তি প্রতিষ্ঠা করার জন্য।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন