(অনুসন্ধানী আবাহন)
পৃথিবীজুড়ে সন্ত্রাসের তান্ডব বেড়েই চলেছে। একমুখী কথা না বলতে চাইলেও বলতে বাধ্য হতে হয়, অধিকাংশ সন্ত্রাস মুসলিমদের থেকেই আসছে। এশিয়া, ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা, আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া, হেন কোন যায়গা নেই, যারা আকষ্মিক মুসলিম সন্ত্রাসী হামলা থেকে রেহাই পাচ্ছে। আমি জানি , পলিটিকাল কারেক্টনেস অনুযায়ী গুটিকতকের দায় গোটা জাতির উপরে ফেলা যায় না। কিন্তু, এটাও সকলের বোঝা উচিৎ, এই সন্ত্রাস দুদিনের মগজ ধোলাই থেকে আসে না। এই সন্ত্রাসের বীজ বপন করা হয় কথা বলতে শেখার সময় থেকে, প্রত্যক্ষে বা পরোক্ষে। প্রত্যেক মুসলিম ছোট থেকে জানে, এই বিশ্ব তাদের, বাকি সমস্ত ইহুদি-খ্রিস্টান-মুশরিকরা ষড়যন্ত্র করে তাদের অধিকার ছিনিয়ে নিয়েছে। এই বীজ সার জল দিয়ে চারা তৈরী করে, একটা মুসলিম বাচ্চার মুসলিম পরিপার্শ্ব। এই কারণেই, পরবর্তি সন্ত্রাসী ঘটনার হামলাকারী কোন সিক্রেট ট্রেনিং সেন্টার থেকে আসবে বলে যারা ভাবেন, তাঁদের ধারণা প্রচন্ডরকম ভুল। হামলাকারী আসবে আপনার আমার পাশের বাড়ি থেকে, নিজের পাড়া থেকে, নিজের শহর থেকে।
পৃথিবীজুড়ে সন্ত্রাসের তান্ডব বেড়েই চলেছে। একমুখী কথা না বলতে চাইলেও বলতে বাধ্য হতে হয়, অধিকাংশ সন্ত্রাস মুসলিমদের থেকেই আসছে। এশিয়া, ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা, আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া, হেন কোন যায়গা নেই, যারা আকষ্মিক মুসলিম সন্ত্রাসী হামলা থেকে রেহাই পাচ্ছে। আমি জানি , পলিটিকাল কারেক্টনেস অনুযায়ী গুটিকতকের দায় গোটা জাতির উপরে ফেলা যায় না। কিন্তু, এটাও সকলের বোঝা উচিৎ, এই সন্ত্রাস দুদিনের মগজ ধোলাই থেকে আসে না। এই সন্ত্রাসের বীজ বপন করা হয় কথা বলতে শেখার সময় থেকে, প্রত্যক্ষে বা পরোক্ষে। প্রত্যেক মুসলিম ছোট থেকে জানে, এই বিশ্ব তাদের, বাকি সমস্ত ইহুদি-খ্রিস্টান-মুশরিকরা ষড়যন্ত্র করে তাদের অধিকার ছিনিয়ে নিয়েছে। এই বীজ সার জল দিয়ে চারা তৈরী করে, একটা মুসলিম বাচ্চার মুসলিম পরিপার্শ্ব। এই কারণেই, পরবর্তি সন্ত্রাসী ঘটনার হামলাকারী কোন সিক্রেট ট্রেনিং সেন্টার থেকে আসবে বলে যারা ভাবেন, তাঁদের ধারণা প্রচন্ডরকম ভুল। হামলাকারী আসবে আপনার আমার পাশের বাড়ি থেকে, নিজের পাড়া থেকে, নিজের শহর থেকে।
যারা চান মুসলিমদের
সাথে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান, আপনাদের উচিৎ একজোটে মুসলিমদেরকে বোঝানো, তারা
আপনাদের সাথে সহাবস্থানে আসবে কিনা। তাদের সব দাবী মেনে নেয়াটা আপনারা
কেউই পারবেন না। অবাস্তবতা নিয়ে মুসলিমরা চলতে পারে, বাকিরা নয়। আপনাদের
নিজেদের নিরাপত্তার দায়িত্ব কিন্তু কোন সরকার নিতে পারবে না, আপনাদেরকেই
নিতে হবে। পলিটিকাল কারেক্টনেস থেকে আঙুল না তোলার অভ্যাস পরিবর্তন করুন
দয়া করে। তাদেরকেই বলুন নিজেদের, আপনাদের সাথে এক সমাজে থাকতে চাইলে নিজের
ঘর সামলাতে। সামাজিক আক্রমণে যাওয়ার চাইতে সামাজিক কাউন্সেলিং হয়তো ভালো
কাজে দেবে। হয়তো আগামীকাল, আপনার পাশের মুসলিম ঘরের ছেলেটা ভাববে না, গাড়ি
নিয়ে লোকের উপরে উঠে পড়তে , নিজের শরীরে বোমা ফাটিয়ে লোক মারতে হবে। হয়তো এ
দুরাশা, মুসলিমরা কখনোই শুধরাবে না, সেই সামর্থ্য তাদের ধর্ম তাদের দেয়
নি। কিন্তু আপনারাও দয়া করে, পলিটিকাল কারেক্টনেস থেকে বেরিয়ে আঙুল তুলতে
শিখুন। প্রশ্রয় দেবেন না।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন